
এম আবু হেনা সাগর, ঈদগাঁও
মোবাইল ও ইন্টারনেটের সহজলভ্যতায় তথ্য প্রযুক্তির এ যুগেও কদর বেড়েছে ঈদগাঁওয়ের ডাকঘরে চিঠিপত্র আদান প্রদানে। চিটির অপেক্ষায় প্রহর গুনেন ডাকঘরে আত্বীয় স্বজনরাও। বর্তমান ইন্টারনেট ও মোবাইলের যুগেও চিঠিপত্রের কদর কমেনি বরং বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডাকঘরের সে কাঙ্খিত ডাক বাক্সে চিটি আসে আর যায়।আধুনিকতার ছোঁয়ায় দিনবদলের সনদ বাস্তবায়নে বর্তমান সময়ে লোকজন তাদের আপনজনদের কাছে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কাজ সারলেও রয়ে গেলে ডাকের সেই বহুল প্রত্যাশিত চিটি । একসময়ের জনপ্রিয় ডাক বাক্সের মূল্য না থাকলেও কমেনি চিটিপত্রের কদর।মোবাইল ফোন বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে প্রিয়জনের কাছে ভাব বিনিময় করা যায়। সত্য কিন্তু প্রকৃত অর্থে লিখুনির মাধ্যমে তার আবেগতাড়িত ভালবাসার কথা এখনো ফুটে উঠে চিটিপত্রে। সেই চিঠির অপেক্ষা কি যে মধুর এখনোও সে পুরনো দিনের মধুমাখা স্মৃতি অনেকে তা অনুভব করেন।লিখা চিঠি এখনো জৌলুস ছড়ায় ডাকঘরে। ঈদগাঁও বাজারে অবস্থিত ডাকঘরে ব্যাক্তিগত,সরকারী-বেসরকারী দৈনিক ৩/৪শত চিটি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এসে থাকেন। পূর্বেকার দিনে চিটি আসত মাত্র ৫০/৬০টির মত। ডাকঘরের সাব পোস্ট মাষ্টার সূত্রে জানা যায়, ঈদগাঁওর ডাকঘরটি দীর্ঘ বছরের পুরনো একটি বিটিশ গর্ভমেন্ট পোস্ট অফিস। এ ডাকঘরে একজন ইডিএসসি রানার্স রয়েছে। চারটি পদ থাকলে ও দুটি পদ শূন্য। এটির আওতাধীন ৭টি উপশাখা রয়েছে। সেগুলো হলো, ঈদগড়, পোকখালী, নাপিতখালী, ইসলামপুর,ইসলামাবাদ, চৌফলদন্ডী ও ভারুয়াখালী। ডাকঘরে আসা এক ব্যাক্তি জানান, সব কথা তো মোবাইলে বলা অসম্ভব। চিটিপত্রের আদান প্রদানও করা হয়। ঈদগাঁও ডাকঘরের সাব পোষ্ট মাষ্টার দিলীপ কান্তি দে জানান, তথ্যপ্রযুক্তির যুগেও পূর্বেকার দিনের চেয়ে ডাকঘরে চিটির কদর কমেনি বরং বেড়েছে। শুধুমাত্র বিদেশের চিটিগুলো একটু কম আসে। অন্যান্য ক্ষেত্রে সবগুলো সমান।
